ঢাকা ডেস্ক রিপোর্ট | বাংলাদেশ জাতীয় সংবাদ (BNN)
আসন্ন সংসদ নির্বাচন ও গণভোটকে কেন্দ্র করে আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে সারা দেশে যৌথ বাহিনী মোতায়েনের সিদ্ধান্ত নিয়েছে সরকার। নির্বাচন ঘিরে যেকোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতি এড়াতে আইনশৃঙ্খলা বাহিনীকে সর্বোচ্চ প্রস্তুতির নির্দেশ দেওয়া হয়েছে।
প্রধান উপদেষ্টার কার্যালয়ে অনুষ্ঠিত উচ্চপর্যায়ের এক সভায় এ সিদ্ধান্তের কথা জানান স্বরাষ্ট্রসচিব নাসিমুল গনি। তিনি বলেন, নির্বাচনের আগের চার দিন, ভোটের দিন এবং ভোটের পরের সাত দিনসহ মোট ১২ দিন মাঠে থাকবে যৌথ বাহিনী। এরই মধ্যে গত বুধবার থেকে স্বরাষ্ট্র মন্ত্রণালয়ের একাধিক টিম সার্বক্ষণিকভাবে পরিস্থিতি মনিটরিং করছে।
পুলিশ সদর দপ্তরের এআইজি (মিডিয়া) এ এইচ এম শাহাদাত হোসাইন জানান, শান্তিপূর্ণ নির্বাচন নিশ্চিত করতে পুলিশ বাহিনীকে প্রয়োজনীয় দিকনির্দেশনা দেওয়া হয়েছে। তিনি বলেন, আগাম কোনো অপ্রীতিকর পরিস্থিতির তথ্য পাওয়া গেলে তাৎক্ষণিক ব্যবস্থা নেওয়া হবে। প্রচারণার সময় প্রার্থী ও নেতাকর্মীদের করণীয় সম্পর্কেও অবহিত করা হয়েছে এবং পুলিশকে সর্বোচ্চ সতর্ক অবস্থায় রাখা হয়েছে।
নির্বাচনে আনসার ও ভিডিপির ৫ লাখ ৫৫ হাজার ৯৫৮ জন সদস্য দায়িত্ব পালন করবেন। বাহিনীর মুখপাত্র মো. আশিকউজ্জামান জানান, সারা দেশের ৪২ হাজার ৭৬৬টি ভোটকেন্দ্রের প্রতিটিতে ১৩ জন করে সদস্য মোতায়েন থাকবে। ভোট গ্রহণ শুরু থেকে শেষ পর্যন্ত তারা কেন্দ্রেই অবস্থান করবেন।
তিনি আরও জানান, দায়িত্বপ্রাপ্ত ১৩ জনের মধ্যে তিনজন অস্ত্রসহ থাকবেন এর মধ্যে একজন প্রিসাইডিং অফিসারের নিরাপত্তায় এবং দুজন ভোটকেন্দ্রের সার্বিক নিরাপত্তায় নিয়োজিত থাকবেন। বাকি ১০ জন সদস্য লাঠি হাতে দায়িত্ব পালন করবেন, যাদের মধ্যে ছয়জন পুরুষ ও চারজন নারী সদস্য থাকবেন।
এ ছাড়া সারা দেশে ১ হাজার ১৯১টি ব্যাটালিয়ন আনসার স্ট্রাইকিং ফোর্স হিসেবে দায়িত্ব পালন করবে। আগামী ৮ থেকে ১৪ ফেব্রুয়ারি পর্যন্ত তারা মাঠে সক্রিয় থাকবে। এর আগেও ঝুঁকিপূর্ণ ও গুরুত্বপূর্ণ এলাকায় নিয়মিত টহল কার্যক্রম জোরদার করা হবে বলে জানানো হয়েছে।

0 Comments