বাংলাদেশ জাতীয় সংবাদ প্রতিবেদক
প্রথম আলো ও ডেইলি স্টার ভবনে হামলার ঘটনায় প্রতিক্রিয়া জানিয়ে যমুনা টেলিভিশনের প্রধান নির্বাহী কর্মকর্তা (সিইও) ফাহিম আহমেদ বলেছেন, যারা এখনো আনুষ্ঠানিকভাবে ক্ষমতায় আসেনি, তারা ভবিষ্যতে ক্ষমতায় গেলে গণমাধ্যমের সমালোচনা গ্রহণের মানসিকতা বর্তমানের মতো বজায় রাখবে কি না, সেটাই বড় প্রশ্ন।
তিনি বলেন, সাম্প্রতিক ঘটনায় সমাজে ভিন্ন ভিন্ন প্রতিক্রিয়া দেখা গেছে। কেউ ব্যথিত হয়েছেন, কেউ প্রতিবাদে নেমেছেন, আবার কেউ উচ্ছ্বাসও প্রকাশ করেছেন। এই প্রেক্ষাপটে বিএনপির ভূমিকা নিয়েও প্রশ্ন উঠছে। বিএনপি চাইলে বলতে পারে তারা ক্ষমতায় নেই, কিন্তু ক্ষমতার বাইরে থেকেও এর বিরুদ্ধে শক্ত অবস্থান নেওয়া যেতো।
বিজ্ঞাপন
ফাহিম আহমেদ আরও বলেন, গত অর্ধশতাব্দীতে যারা রাষ্ট্রক্ষমতায় ছিল, তাদের কেউই গণমাধ্যমের বিশ্লেষণভিত্তিক সমালোচনা স্বাচ্ছন্দ্যে নেয়নি। তবে তিনি আশাবাদ প্রকাশ করেন, আগামীর বাংলাদেশ ও এর রাজনীতি হয়তো নতুন এক বাস্তবতায় প্রবেশ করতে যাচ্ছে, যেখানে সমালোচনাকে স্বাভাবিকভাবে নেওয়ার সংস্কৃতি গড়ে উঠতে পারে।
তিনি জানান, যমুনা টেলিভিশন বরাবরের মতোই ক্ষমতাকে প্রশ্ন করার নীতি অনুসরণ করে এসেছে। গত ১৫ বছরেও নানা সীমাবদ্ধতার মধ্যেও অনিয়ম ও অসংগতির বিরুদ্ধে প্রশ্ন তোলার চেষ্টা করা হয়েছে। অনেক ক্ষেত্রে চাইলেও প্রশ্ন করা যায়নি, তবুও চেষ্টা অব্যাহত ছিল।
বিজ্ঞাপন
তিনি অভিযোগ করেন, এখনও যখন ক্ষমতাকে প্রশ্ন করা হয় বা অনিয়মের বিরুদ্ধে কথা বলা হয়, তখন অনেক সময় ‘ফ্যাসিবাদের দোসর’ বলে ট্যাগ দেওয়া হয়। তবে আগামী দিনে এই প্রবণতার অবসান ঘটবে বলে তিনি আশা প্রকাশ করেন।
অনুষ্ঠানে টেলিভিশন, সংবাদপত্র ও অনলাইন মাধ্যমের দেশের জ্যেষ্ঠ সাংবাদিকরা উপস্থিত ছিলেন। তারা মত দেন, গণমাধ্যমের সার্বিক পরিস্থিতি নিয়ে প্রতি তিন বা ছয় মাস অন্তর সাংবাদিকদের সঙ্গে এমন মতবিনিময় আয়োজন করা প্রয়োজন।
বিএনএন.....................BNN

0 Comments