জাতীয় নাগরিক পার্টির নতুন চমক: নোয়াখালী–চট্টগ্রাম–পার্বত্য এলাকায় তরুণ-প্রফেশনালদের প্রাধান্য
নিজস্ব প্রতিনিধি
জাতীয় নাগরিক পার্টি আগামী জাতীয় নির্বাচনে নোয়াখালী, চট্টগ্রাম ও পার্বত্যাঞ্চলের বেশ কয়েকটি আসনে নতুন মুখকে সামনে আনছে। দলটির নেতৃত্ব জানিয়েছে, এবার তারা পরিবারকেন্দ্রিক প্রভাবকে সরিয়ে শিক্ষিত, পেশাজীবী এবং নীতিনিষ্ঠ তরুণদের অগ্রাধিকার দিয়েছে।
ঘোষিত তালিকা অনুযায়ী নোয়াখালী-৫ এ প্রতিদ্বন্দ্বিতা করবেন এডভোকেট হুমায়রা নূর এবং নোয়াখালী-৬ এ আব্দুল হান্নান মাসউদ। চট্টগ্রামের বিভিন্ন আসনে মনোনীত হয়েছেন মহিউদ্দিন জিলানী (চট্টগ্রাম-৬), মো. জোবাইরুল হাসান আরিফ (চট্টগ্রাম-৮), মো. রিয়াজুল আনোয়ার চৌধুরী সিন্টু (চট্টগ্রাম-৯), সাগুফতা বুশরা মিশমা (চট্টগ্রাম-১০), মোহাম্মদ আজাদ দোভাষ (চট্টগ্রাম-১১), জুবাইরুল আলম মানিক (চট্টগ্রাম-১৩), মুহাম্মদ হাসান আলী (চট্টগ্রাম-১৪), আবদুল মাবুদ সৈয়দ (চট্টগ্রাম-১৫) এবং মীর আরশাদুল হক (চট্টগ্রাম-১৬)।
কক্সবাজারে মনোনীত হয়েছেন মো. মাইমুল আহসান খান (১), আবু সাঈদ মোহাম্মদ সুজা উদ্দিন (২) এবং মুহাম্মদ হোসাইন (৪)। পার্বত্যাঞ্চলে প্রার্থী হচ্ছেন এডভোকেট মনজিলা সুলতানা (খাগড়াছড়ি), প্রিয় চাকমা (রাঙামাটি) এবং মংসা প্রু চৌধুরী (বান্দরবান)।
দলটির মনোনয়ন বোর্ডের এক সদস্য বলেন, “আমরা এবার চেষ্টা করেছি অভিজ্ঞতা ও সততার সমন্বয়ে একটি নতুন নেতৃত্ব তৈরি করতে। জনগণ পরিবর্তন চায়, সেই পরিবর্তন প্রতিফলিত করতেই এই নির্বাচন।”
স্থানীয় সংগঠনের কয়েকজন নেতা জানান, কিছু আসন নিয়ে তৃণমূলে অসন্তোষ থাকলেও বেশিরভাগ এলাকায় তরুণ এবং পেশাজীবীদের মনোনয়ন পাওয়া স্বাগত হয়েছে। নোয়াখালীর একজন জেলা নেতা বলেন, “দল হাল ধরেছে নতুনভাবে। এতে কর্মীদের উৎসাহ বেড়েছে।”
মনোনয়ন ফরম বিক্রি শুরু হয়েছিল ৬ নভেম্বর, আগ্রহীদের চাপে সময় বাড়ানো হয় ২০ নভেম্বর পর্যন্ত। এই সময়ে ১ হাজার ৪৮৪টি ফরম বিক্রি হয়। তবে দলের একটি অংশ মনে করছে, কিছু আসনে আরও যাচাই-বাছাই প্রয়োজন ছিল।
দলটি জানায়, অবশিষ্ট আসনের প্রার্থীদের নাম শিগগিরই ঘোষণা করা হবে।

0 Comments