কক্সবাজার, ২২ মার্চ ২০২৬: ঈদের দ্বিতীয় দিনে কক্সবাজার সমুদ্র সৈকতে পর্যটকের উপস্থিতি তীব্র বেড়েছে। সকাল থেকেই সৈকতের প্রতিটি পয়েন্ট ভিড়তে দেখা গেছে, যেখানে পরিবার, বন্ধু ও পর্যটকরা সমুদ্রস্নান, জেটস্কি, বাইক ও ঘোড়া রাইডসহ বিভিন্ন বিনোদনে অংশ নিচ্ছেন।
পর্যটন ব্যবসায়ীরা জানাচ্ছেন, রমজানের একমাসের নিস্তব্ধতার পর ঈদের ছুটিতে সৈকতে প্রাণচাঞ্চল্য ফিরে এসেছে। আজ থেকে প্রায় ১০ থেকে ১১ লাখ পর্যটক কক্সবাজার ভ্রমণে আসতে পারেন বলে আশা করা হচ্ছে, যা প্রায় ১০০ কোটি টাকার ব্যবসার সম্ভাবনা তৈরি করছে।
পর্যটকরা সমুদ্রসৈকতের কলাতলী, সুগন্ধা, লাবণীসহ বিভিন্ন পয়েন্টে সময় কাটাচ্ছেন। ঢাকার মতিঝিল থেকে আসা পর্যটক রোকসানা রহমান বলেছেন, “আম্মু, বোন ও ভাগনিকে সঙ্গে নিয়ে কক্সবাজারে প্রথমবার আসা আমাদের ঈদ আনন্দ দ্বিগুণ করেছে।” রাজশাহীর হেমায়েত হোসেন তালুকদার পরিবারসহ এখানে সময় কাটানোকে স্বপ্নের মতো অভিজ্ঞতা হিসেবে বর্ণনা করেছেন।
নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে তিন স্তরের ব্যবস্থা গ্রহণ করেছে কক্সবাজার টুরিস্ট পুলিশ। ইউনিফর্ম ও সাদা পোশাকে নজরদারি টিম এবং গোয়েন্দা টিম পালাক্রমে ২৪ ঘণ্টা দায়িত্ব পালন করছে। সৈকতের বিচ কর্মীরা ঝুঁকিপূর্ণ এলাকা চিহ্নিত ও পর্যটকদের সতর্ক করছেন।
কক্সবাজার হোটেল-গেস্ট হাউস মালিক সমিতির সভাপতি আবুল কাশেম সিকদার জানান, ঈদের পরদিন থেকে প্রতিদিন প্রায় এক লাখ পর্যটক আসার সম্ভাবনা রয়েছে এবং এই ধারা প্রায় ১০ দিন অব্যাহত থাকতে পারে। জেলা প্রশাসক মো. আব্দুল মান্নান বলেন, পর্যটকদের নিরাপত্তা নিশ্চিত করতে প্রশাসন ব্যাপক প্রস্তুতি নিয়েছে।

0 Comments