সৌদি আরবের প্রিন্স সুলতান বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ইরানের ক্ষেপণাস্ত্র হামলায় ক্ষতিগ্রস্ত হয়েছে বলে জানিয়েছে মার্কিন এক কর্মকর্তা। একই সময় ইরানের উপকূলে খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনীর পাল্টা বিমান হামলার দাবি করেছেন মার্কিন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প।
মার্কিন দৈনিক ওয়াল স্ট্রিট জার্নালের এক প্রতিবেদনে বলা হয়েছে, সাম্প্রতিক ক্ষেপণাস্ত্র হামলার সময় সৌদি আরবের ওই বিমানঘাঁটিতে অবস্থানরত মার্কিন বিমান বাহিনীর পাঁচটি রিফুয়েলিং বা জ্বালানি সরবরাহকারী বিমান ক্ষতিগ্রস্ত হয়। তবে বিমানগুলো সম্পূর্ণ ধ্বংস হয়নি এবং বর্তমানে সেগুলোর মেরামতের কাজ চলছে।
প্রতিবেদনে আরও উল্লেখ করা হয়, হামলার ঘটনায় কোনো হতাহতের খবর পাওয়া যায়নি। সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা জানিয়েছেন, ক্ষতিগ্রস্ত বিমানগুলো দ্রুত পুনরায় কার্যক্ষম করার চেষ্টা চলছে।
অন্যদিকে ইরানের উপকূলে অবস্থিত খারগ দ্বীপে যুক্তরাষ্ট্রের সামরিক বাহিনী বোমা হামলা চালিয়েছে বলে দাবি করেছেন প্রেসিডেন্ট ডোনাল্ড ট্রাম্প। দ্বীপটি কৌশলগতভাবে গুরুত্বপূর্ণ হরমুজ প্রণালির কাছাকাছি অবস্থিত।
স্থানীয় সময় শুক্রবার (১৩ মার্চ) সামাজিক যোগাযোগমাধ্যম ট্রুথ সোশ্যালে দেওয়া এক পোস্টে ট্রাম্প বলেন, ইউনাইটেড স্টেট সেন্ট্রাল কমান্ড মধ্যপ্রাচ্যের ইতিহাসে অন্যতম শক্তিশালী বিমান হামলা পরিচালনা করেছে।
তার দাবি, এই অভিযানে ইরানের ‘মুকুটের মণি’ হিসেবে পরিচিত খারগ দ্বীপের প্রতিটি সামরিক লক্ষ্যবস্তু ধ্বংস করা হয়েছে। তবে দ্বীপটির তেল অবকাঠামো ধ্বংসের সিদ্ধান্ত এখনো নেওয়া হয়নি বলেও উল্লেখ করেন তিনি।
ট্রাম্প আরও সতর্ক করে বলেন, ইরান বা অন্য কোনো পক্ষ যদি হরমুজ প্রণালি দিয়ে জাহাজ চলাচলের স্বাধীন ও নিরাপদ পথ বাধাগ্রস্ত করার চেষ্টা করে, তাহলে তেল অবকাঠামোর ওপর হামলার সিদ্ধান্ত পুনর্বিবেচনা করা হতে পারে।

0 Comments